রোবটিকসের জনক মুসলিম বিজ্ঞানী আল-জাজারি

রোবটিকসের জনক মুসলিম বিজ্ঞানী আল-জাজারি

রোবটিকসের জনক মুসলিম উদ্ভাবক আল-জাজারি ১ বিশ্বের উন্নতির সব বিভাগে মুসলিম সভ্যতা সৃজনশীলতা ও আবিষ্কারের জনক হয়ে আছে। কিন্তু আমাদের মধ্যে এই ইতিহাসগুলোর ব্যাপক চর্চা না থাকায় জ্বলন্ত সত্যগুলো চাপা পড়ে যাচ্ছে। অনেকের ধারণা, উন্নত বিশ্বের জ্ঞান-বিজ্ঞানে মুসলমানদের কোনো অবদান নেই। অথচ বাস্তব চিত্র এমন নয়। আজকের পর্বে আমরা এ বিষয়টা নিয়েই আলোচনা করার চেষ্টা […]

পেট্রোলিয়াম পরিশোধনে মুসলমানদের অবদান

পেট্রোলিয়াম পরিশোধনে মুসলমানদের অবদান

পেট্রোলিয়াম পরিশোধনে মুসলমানদের অবদান শক্তির অন্যতম প্রাকৃতিক উৎস পেট্রোলিয়াম, যাকে বলা হয় তরল সোনা। এটি পৃথিবীর চেহারা পাল্টে দিয়েছে। গোটা পৃথিবীর উন্নতির পেছনে এই তরল সোনার অবদান অপরিসীম। পৃথিবীর যত কল-কারখানা, ইঞ্জিন, বিমান, জাহাজ ও মোটরগাড়ি সব কিছুই এই তরল সোনার ওপর নির্ভরশীল। এটি আল্লাহর অমূল্য নিয়ামত। এমন অনেক নিয়ামত দিয়ে তিনি আমাদের বেষ্টিত করে […]

মুসলমানদের জ্ঞান চুরি করেই আজ গড়ে উঠেছে পাশ্চাত্য সভ্যতা

মুসলমানদের জ্ঞান চুরি করেই আজ গড়ে উঠেছে পশ্চাত্য সভ্যতা

জানেন কি মুসলমানদের জ্ঞান চুরি করে গড়ে উঠেছে পাশ্চাত্য সভ্যতা ?   আমরা অনেকেই মুসলমানদের অতীত সমৃদ্ধি ও জ্ঞান বিজ্ঞান সম্পর্কে জানি না। কিন্তু সত্য কখনো আড়ালে থাকে না। যুগে যুগে অসৎ কাজের লোক যেমন জন্মেছে তেমনি ভালো কিছু লোকও জন্মেছে যাদের কারনে আমরা আজ এ সত্য জানতে পেরেছি।   মুসলিম বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদদের বহু […]

মুসলিম বিজ্ঞানী জাবির ইবনে হাইয়ানের গ্রন্থ

গ্রন্থ

ইসলামী শিক্ষাবিদ ‘ইবনে নাদিমে’র মতে ‘জাবির ইবনে হাইয়ান’ ২ হাজারের বেশী গ্রন্থ রচনা করনে । বিষয়টা অবাক করা হলেও অনেক গ্রন্থের গড় পৃষ্ঠার সংখ্যা ৮-১০ এর মত ছিলো । জাবির ইবনে হাইয়ানের গ্রন্থসমূহের সংখ্যা ও বিষয় হলো: রসায়ন বিষয়ে রচনা-   ২৬৭টি কিতাবুত্ তাকদীর ধরণের গ্রন্থ- ৩০০টি দর্শন বিষয়ক গ্রন্থ- ৩০০টি যুদ্ধাস্ত্র বিষয়ক গ্রন্থ- ৩০০টি চিকিৎসা […]

আধুনিক লেদার প্রযুক্তির সূচনা হয়েছিল মুসলমানদের হাতে

আধুনিক লেদার প্রযুক্তির সূচনা হয়েছিল মুসলমানদের হাতে

একাদশ শতাদ্বীর মুসলিম কারিগরদের হাতে লেদার বা চামড়া তৈরির প্রযুক্তি উন্নতি সাধিত হয় । এ শিল্পটি প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের বড় প্রভাব বিস্তার করে । লেদার প্রযুক্তিতে মুসলিম প্রবর্তিত রীতিই উনিশ শতক পর্যন্ত বিশ্বে চালু ছিল এবং । মুসলিম আমলে চামড়াকে ট্যানিং করতে নিন্মোক্ত তিনটি পদ্ধতিই অনুসরণ করা হতো- ১. তেল সহযোগ প্রক্রিয়াজাতকরণ (Chamoising) ২. খনিজ […]

অপটিক্সে আল কিন্দির গবেষণা ইবনে হাইছামকে পথ দেখিয়েছিলো

অপটিক্সে আল কিন্দির গবেষণা ইবনে হাইছামকে পথ দেখিয়েছিলো

আবু ইউসুফ ইয়াকুব ইবনে ইসহাক আল-কিন্দি (আরবি: أبو يوسف يعقوب بن إسحاق الكندي‎‎‎) (Abu Yūsuf Yaʻqūb ibn ʼIsḥāq aṣ-Ṣabbāḥ al-Kindī) (৮০১ – ৮৭৩) পাশ্চাত্য বিশ্বে তাকে বিকৃতভাবে “আলকিন্ডাস” (Alkindus) নামে পরিচিত করা হয় । অপটিক্সে আল কিন্দির গবেষণা ইবনে হাইছামকে পথ দেখিয়েছিল অর্থাৎ আল কিন্দির পথ অনুসরণ করেই ইবনে হাইছাম অপটিক্সে পরিপূর্ণ সমাধান বের করেছিলেন। […]

আধুনিক কার্পেট বা গালিচা তৈরিতে মুসলমানদের অবদান

আধুনিক কার্পেট বা গালিচা তৈরিতে মুসলমানদের অবদান

কার্পেট বা গালিচা প্রধাণত সৌখিন ও অভিজাত ব্যাক্তিবর্গের ব্যাবহৃত মোটা বস্ত্র । এর কারুকাজই এর সেরা বৈচিত্র্য ও বৈশিষ্ট্যকে ধারণ করে । এই শিল্পটি মুসলমানদের হাতেই জৌলুস প্রাপ্ত হয় এবং বর্তমানেও তার বৈশিষ্ট্য অতুলনীয় । সেলজুক আমলে (1055-1193 খৃ.) গালিচা প্রস্তুতে বিশেষ ঝোঁক লক্ষ্য করা যায় । ভেড়ার লোম দিয়ে এ সমস্থ নকশা করা গালিচার […]

মেডিসিন সাইন্স এ মুসলিম বিজ্ঞানী আল-কিন্দীর অবিস্মরণীয় অবদান ।

মেডিসিন সাইন্স এ আল-কিন্দীর অবদান অবিস্মরণীয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ওপর সংকলনগ্রন্থ ‘আকরারাধীন’ ছাড়াও আল-কিন্দী ‘রিসালা ফি মা’রিফাতি কুওয়াত আল-আদভিয়াত আল-মুরাককাবা’ নামক বিখ্যাত গ্রন্থ রচনা করেন। এই গ্রন্থে মুসলিম বিজ্ঞানী আল-কিন্দী বিভিন্ন ওষুধের গঠনপ্রণালি বিশ্লেষণের প্রয়াস পান। এই বিশ্লেষণের প্রাক্কালে তিনি ওষুধের গুণাবলিকে সংখ্যায় প্রকাশ করায় যে সমস্যা তা তুলে ধরেন এবং আধুনিক ও যুক্তিসঙ্গত এক সূত্রের […]

পৃথিবীর গতি সম্পর্কে মুসলিম বিজ্ঞানী আল বিরুনীর ব্যাখ্যা ।

কানুন-ই-মাসউদী’তে আল-বেরুনি প্রথম পৃথিবীর গতি নিয়ে আলােচনা করেছেন। বইটিতে তিনি লিখেছেন, ‘আমি একজন বিখ্যাত জ্যোতির্বিদকে চিনি যিনি এই মতবাদে বিশ্বাসী।’ আল-বেরুনি এ জ্যোতির্বিদের পরিচয় প্রকাশ করেননি। তবে স্পষ্ট বুঝা যায় যে, এ জ্যোতির্বিদ হলেন তিনি নিজে। তার মতে, যখন কোনাে জিনিস উঁচু জায়গা থেকে নিচে পড়ে তখন তা তার পতনের ধারা অনুযায়ী লম্ব রেখা ধরে […]

আধুনিক বীজগণিতকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন যে মুসলিম বিজ্ঞানী !

ওমর খৈয়াম জ্যোতির্বিদ এবং গাণিতিক হিসেবে বিশেষ প্রতিষ্ঠা লাভ করেন । বীগণিতের জনক মুসাল আলখোয়ারিজমির পরেই ওমর খৈয়ামের অবস্থান । তার ‘আল জাবর’ বীজগণিত গ্রন্থ বিশ্ববিখ্যাত। পুরো নাম মাকালাত ফি আল জাবর্ আল মুকাবিলা । প্রকাশিত হয় ১০৭০ খ্রিস্টাব্দে । গণিত ও বীজগণিতে তার অবদান অবিস্মরণীয়। বীজগণিত বিষয়ক তার গ্রন্থটি মােট ১০ অধ্যায়ে বিভক্ত এবং […]